
আড়িয়াল বিল ঢাকার দক্ষিণে পদ্মা ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝখানে অবস্থিত প্রায় ১৩৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের একটি অবভূমি। [অবভূমি: ভূরূপতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভূ-পৃষ্ঠের তুলনামূলক অবনমিত অংশ। বিশেষ করে, উঁচু ভূমি দ্বারা পরিবেষ্টিত নিচু এলাকা যেখানে নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য প্রাকৃতিক নির্গমণ পথ থাকে না এবং বর্ষার সময় গভীরভাবে প্লাবিত হয়।] প্রায় সমগ্র এলাকাই পুরু কাদা দিয়ে আবৃত। খুব কাছাকাছি দুটি বৃহৎ নদীপ্রবাহ থাকার পরও বৃষ্টির পানি জমে এখানে গভীর মৌসুমি প্লাবন সংঘটিত হয়ে থাকে। বর্ষা মৌসুমে নদীদুটিতে প্রবাহ পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান থাকে বিধায় এ বিল সঞ্চিত পানি নিষ্কাশন করতে ব্যর্থ হয়। আড়িয়াল বিল এলাকার বেশিরভাগই শুষ্ক ঋতুতে আর্দ্র থাকে এবং বিলে যথেষ্ট পরিমাণে পানি সঞ্চিত থাকে। বর্ষায় পানিতে টই টই, শীতে শুকিয়ে বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত। যেদিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। এই হচ্ছে মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিলের দেখা যায় মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিলের সৌন্দর্য বৈশিষ্ট। নানা রকম শীতের সবজি চাষ হয় আড়িয়াল বিলে। তবে এ বিলের বিশেষ আকর্ষণ বিশাল আকৃতির মিষ্টি কুমড়া। আড়িয়ার বিলের কোনো কোনো মিষ্টি কুমড়া দুই মনেরও বেশি ওজনের হয়ে থাকে। পুরো আড়িয়াল বিল জুড়ে শীতে চাষ হয় মিষ্টি কুমড়া। শীত শেষে পাকলে মাঠ থেকে তোলা হয়। এছাড়া শুকনা আড়িয়াল বিলে খাবারের খোঁজে ঘুরে বেড়ায় নানান জাতের ছোট বড় পাখি। শীতের শেষে আড়িয়াল বিলে আরও চোখে পড়বে মাছ ধরার দৃশ্য। বিলের মধ্যে খাল ছাড়াও আছে কিছু জলাশয়। এসব জলাশয়ে পানি কমে যাওয়ায় মাছ ধরেন স্থানীয়রা।

দোয়েল চত্বর
দোয়েল চত্বর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর অন্যতম হচ্ছে দোয়েল চত্বর। এর স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা। এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা বাংলাদেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে।
দোয়েল চত্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতরে কার্জন হলের সামনে অবস্থিত। বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েলের একটি স্মারক ভাস্কর্য। এর স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা। এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা দেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে। শাহবাগে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দোয়েল চত্বর।
Ref: Wikipedia, Banglapedia, Newspapers, Internet

একটি আমের ওজন ৪ কেজি ২৪৫ গ্রাম
৪ কেজি ২৪৫ গ্রাম ওজনের এই আম পৃথিবীর সবচেয়ে ওজনদার আম হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। রেকর্ডটি হয়েছে ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে। এর আগে সবচেয়ে বড় আমটি ফলেছিল ২০০৯ সালে, ফিলিপাইনে। সেটির ওজন ছিল ৩ কেজি ৪৩৫ গ্রাম। নতুন রেকর্ডধারী এই আম ফলিয়েছেন কলম্বিয়ার দুই কৃষক রিনা মারিয়া ম্যারোকুইন (উপরের ছবিতে বাঁয়ে) ও জার্মান অরল্যান্ডো নোভোয়া ব্যারেরা। কলম্বিয়ায় সাধারণত বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আম চাষ হয় না।
Ref: Internet, Newspapers
ধাঁধাঁ
সবুজ বুড়ি হাটে যায়, হাটে যাইয়া চিমটি খায়।
এই সবুজ বুড়ির নাম কী?
|
|
তথ্য ও ছবির সূত্র: এই পাতার সব তথ্য-উপাত্ত ও ছবি বিভিন্ন বই-পুস্তক, পত্র-পত্রিকা, বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া এবং ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিক সংগৃহীত